The writers of North East and PEN India ( a proposed Kolkata PEN centre)

27 10 2014

The writers of North East and PEN India ( a proposed Kolkata PEN centre)

In North East India, under leadership of Writer, Painter and Human Right activist Albert Ashok  PEN India ( a proposed Kolkata PEN centre) is celebrating literary movement and spreading PEN International’ message. Have a look who are with us. they are celebrity writers, personalities, even politicians cum cultural activists. PEN India is apolitical and open to all organisation.

If You know North eastern writers – prominent writers – celebrity and National awarded writers you can see all are here,,,,

.485481_730389053702871_3608779090582046021_n 1455148_730388817036228_9034616093751233362_n Photo7303 Photo7304 Photo7305 Photo7307 Photo7312 Photo7314 Photo7320 Photo8938 Photo8942 Photo8943 Photo8947 Photo8948 Photo8949 Photo8951 Photo8952 Photo8954 Photo8955 Photo8956 Photo8958 Photo8960 Photo8961 Photo8962 Photo8963 Photo8980 Photo11680 Photo11684 Photo11689





27 05 2012

The PEN Annual literary magazine, 2012 pdf file click and download   

(The pdf File  about 2MB takes little time to open, so wait )

Inaugural issue 2012

7.5 x 9.5 inches, 152 pages, price Rs.250/

We have published 65 authors’ work, national and international authors have sent their contribution for our literary annual journal ‘The PEN’.Please save a copy from this pdf file, read it and send your views.The PEN All India Centre, West Bengal Branch. Thank you





যোগাযোগবন্ধের গল্প

11 11 2011

যোগাযোগবন্ধের গল্প

একটা ছাগল দাঁড়িয়ে থাকে রোজ
দাপাদাপি করে বেজায় উল্লাসে
ঐ তিনকোনা যোগাযোগবন্ধের উপর
সারা আকাশে চাঁদখানা তখন শুয়ে থাকে।

শীতল চমৎকার দেশ, সুখের উড়োখই।
সমাজের নক্ষত্ররা এখানে গহীনরাতে
গান গেয়ে ভোরের ট্রেনে বাড়ি ফিরে যায়।
কুকুরের মত গন্ধ শুঁকতে শুঁকতে পুলিশও আসে
ঐ তিনকোনা যোগাযোগবন্ধের উপর
ছাগলগুলির মত দাপাদাপি করে তারাও উর্দিগায়ে
ছাগলটা তখন নিরাপদ জায়গায় লুকিয়ে থাকে।

আমার বহুদিনের স্বপ্ন ছিল ঐ ছাগলটা সরিয়ে
তিনদিকে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে দেব।
যেমন সীমান্তে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ফৌজেরা বসে থাকে
তেমনি আগলে রাখব সেতুটা নিরাপদ বেস্টনিতে।

এসব কথা ভাবছি চানঘরে চারদেওয়ালে ঘেরা
দাবদাহের পর প্রথমবৃস্টির সোঁদাগন্ধ ধুলামাটির বুকে
ছাপিয়ে যায় আমার হাতভরে উঠে শিউলি, বকুল
আমি নর্দমায় ছেড়ে দিই রাখার মত স্থানাভাবে।

এইঘর বসতি, এই কাগজ কলম, উন্মাসিক মন
সবই যেন জাল পেতে আছে যোগাযোগবন্ধটার দিকে
ছাগলটাকে ঘৃণা দিয়ে ঐ ত্রিভুজে দখলদারির পালা
কেবলই বদলে বদলে যায় আধখানা চাঁদ সাক্ষী আছে।

অ্যালবার্ট অশোক/ পয়লা নভেঃ ২০১১





অসুখ

15 10 2011

অসুখ/ অ্যালবার্ট অশোক

প্রতিযোগিতায় আমি যাবোনা। সাধনায় আঁকা ছবি
হেরো পার্টির মত আনাচে কানাচে ঘুরব।
যা আমি দিতে পারিনি তোকে কখনো
কোথাও যদি তুই পাস তা নিয়ে নে
বেঁচে বর্তে থাক। আমার শুভেচ্ছা রইলো।

আমাদের অসুখের শেষ নেই
এই শহরে স্বপ্নেও রোগ সংক্রমিত হচ্ছে।
ভালবাসার মত মারাত্মক রোগ।
চাই টাকা, বাড়িগাড়ি অশেষ নিরাপত্তা।

সুবোধের ছবির অফিস এখন অনেক বড়
কত লোকজন। পড়ন্ত বেলায় তার সাদা দাড়িতে
দুজন রমণীর নিকষ কালো অন্ধকার চাই।
আকাড়া দেওয়ালে ভালুক গা ঘষবে।
অসুখ কিছু নেই তাতে, সুখ আছে।

শিল্পপতিরা মধ্যাহ্নভোজেই বিছানা পাতে
বারীন মিত্তিরের অফিসে আমি কত দেখেছি।
ডেকেছে যখন যাবি, ঘুমুতে বললে ঘুমুবি
তোর দরকার টাকা, ওর দরকার শরীর।
এই অসুখে যারা পড়ে তারা বড়ো সুখী
যারা না পড়ে গল্পে শুনে তারা সত্যি দুখী।

১৩ অক্টোবর





শব্দ

15 10 2011

শব্দ

অন্তহীন শব্দ জ্বালা শব্দ ভেঙে খান খান

শব্দবিহীন স্তব্দ বাক বুকের ভিতর দিচ্ছে টান।

এমনতো শব্দ ছিলোনা শব্দ ছিল গুঢ় ব্রহ্ম

শব্দ এলো কানের কুহরে সদ্য প্রেমে শব্দ ‘ম’ ‘ম’।

আকাশে মেঘ ছিল শব্দ কালো মেয়ে। বড় ঢং

ঝড়ঝরিয়ে নামল যখন শব্দ তখন বড় রং।

ঐ রঙের আঁকা ছবি বলতে গেলে অনেক প্রহর

শব্দ আমার প্রেম হলো জীবন হল ঢেড় প্রখর।

১৩ অক্টোবর





পিছলে পড়ছি মাটি মাখা পায়ে

30 08 2011

পিছলে পড়ছি মাটি মাখা পায়ে /অ্যালবার্ট অশোক

অনেকগুলি সিঁড়ি।
ঐ উঁচু উঁচু বাড়িগুলিতে অনেক সিঁড়ি থাকে।
আমি সেই সিঁড়ি বাইতে গিয়ে পিছলে পড়ছি
উপরে উঠার ক্ষমতা আমার নেই।

যেই কবিতাটা লিখেছিলাম
অনেক বড় ও লম্বা করে
সম্পাদকেরা বলে দিয়েছে
ওটা কবিতা হয়নি। এত লোকের কথা
কেউ কি কবিতায় লেখে?ওদের প্রশ্ন।
তাই শব্দগুলি ভেঙ্গে দিচ্ছি।
অক্ষরগুলি চুন, সিমেন্ট, সুরকির মত
গুড়ো গুড়ো হয়ে ঝড়ে পড়ছে মাটিতে।
তার সাথে আমিও পিছলে পড়ছি মাটিতে।

এত ঠাটবাট, এত জেল্লা, কুবেরের ছায়া
গাড়ি করে লোকে উপরে উঠে, থাকে
বিলাস করে, মদ-মেয়ের রাস উৎসব করে!

ওরা কী কাজ করে যে উপরে থাকতে পারে?
ওরা কি কখনো কবিতা লেখে?

অনেকদিন চেষ্টা করেছি সিঁড়ি ভাঙ্গতে
আমি শুধু পেরেছি জল কাঁদা মাটি ঘাঁটতে
কাঁদাপায়ে সিঁড়ি ভাংগতে গিয়ে
বার বার পিছলে পড়ছি।

মাটি থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারছিনা
আর তাই উপরে উঠতে পারছিনা।
বার বার পিছলে পড়ছি।
২য় আগস্ট ২০১১





কোথায় যাবো?

30 08 2011

কোথায় যাবো?/অ্যালবার্ট অশোক

কোথায় যাবো?
এই লোকগুলি গুটি সাজিয়ে
দাবা খেলতে বসেছে।
যত নিরীহ ভাবছ তত নির্মল ওরা নয়।

ওরা রাজাকে ঈর্ষা করে!
ওরা রাজকোষ লুটপাট করতে চায়
ওরা কিছু সাদাসিধে মানুষকে ধনুক বানায়
তারপর তীর ছুঁড়তে থাকে রাজাকে লক্ষ্য করে।

এই লোকালয় কখনো জঙ্গলের চাইতেও ভয়ঙ্কর
আড়ালে আবডালে উৎপেতে সুযোগের অপেক্ষায়
কিছু শিকারী হায়েনা, শৃগাল ও কুত্তার দল।
তাই ক্রমান্বয়ে গুণ হতে থাকে দুঃখভার।

রাজা, মানে বিশাল, তুলনাহীন
রাজা রুপবান, গুনবান, বীর্যবান
সময় কখনো তারও খারাপ যায়।
নাহলে –
একটা দুটো বোড়ে, অতি সাধারণ
হঠাৎই লাফিয়ে উঠে হুমকী দেয়?

রাজা বিস্ময়ে দেখে আর ভাবে
সময়ের কী অমোঘ খেলা!
এত যুদ্ধ নয়, চোরাগুপ্তা খেলা, আক্রমন।
কোথায় যাবে?
বা আমি যদি রাজা হতাম, ভাবতাম-
কোথায় যাবো?

রক্তে এখন বাঁচামরার পালাগান
দুখঃভার অসহ্য, অসমর্থ
মানুষের মুখ বা মুখে কত মুখোশ!
সিঁড়ি বেয়ে নামতে নামতে ভাবছি
কোথায় যাবো?
২য় আগস্ট ২০১১